অনুদান প্রদান করুন
আবাম ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে করে আর্তমানবতার সেবা, কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, বহুমুখী শিক্ষায়ন প্রকল্প পরিচালনা, ত্রাণ বিতরণ, স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, পরিচ্ছন্ন মানসিকতা গঠনে নিরন্তর নানা কর্মসূচি পালন, সর্বোপরি মৌখিক, লৈখিক ও আধুনিক সকল প্রচারমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে সেবা দিয়ে একটি আদর্শ সমাজ গঠনে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ব্যাংক ডিটেলসঃ
Account Name:
ABAM FOUNDATION BANGLADESH
Account No:- 030013100000014
First Security Islami Bank Ltd Routing No: 105150534
Branch: 0300-Oxygen Branch, Chattogram
মোবাইল ব্যাংকিং
01674078146 -personal
( বিকাশ/রকেট/নগদ/উপায়/সেলফিন)
01719131821 (Bkash-personal)
Make a Donation
আবাম ফাউন্ডেশন
আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া। ১. সদাকাহ জারিয়াহ্ ২. এমন ইলম বা জ্ঞান যার দ্বারা অন্যের উপকার হয় ৩. পুণ্যবান সন্তান যে তার জন্যে দু’আ করতে থাকে’।
(সহীহ্ মুসলিম, হাদিস নং ১৬৩১)
আমাদের কার্যক্রম
এতিম স্পন্সর প্রজেক্ট
আপনিও চাইলে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মাধ্যমে একজন এতিমের লালনপালনের দায়িত্ব নিতে পারেন।
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, এতিমদের জন্য নিবেদিতপ্রান একটি সংগঠন। এই সংগঠন স্বচ্ছলদের পক্ষ হতে ইয়াতিম শিশুদের দায়িত্বভার গ্রহণ করে থাকে। ইয়াতিমের লালন পালন মানে তাকে যেনতেনভাবে লালন পালন করা নয়; বরং সামর্থ অনুযায়ী (অনেকটা নিজের সন্তানের মতো) তাকে লালন পালন করা উচিত। একজন ইয়াতীমের খাবার খরচ বাবদ প্রতি মাসে মোট ৪,০০০ (চার হাজার) টাকা।
তাদের আবাসন, ভরণ-পোষণ এবং উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার যাবতীয় দায়িত্ব দাতার পক্ষ হতে ফাউন্ডেশন পালন করে থাকে। সেজন্য ফাউন্ডেশন একজন ইয়াতিমের জন্য স্পন্সরের পক্ষ হতে ভালো মানের পানাহার, চিকিৎসা এবং পড়াশোনার বন্দোবস্ত করে থাকে। কোনো দাতা চাইলে সারা বছরের খরচ একসাথে দিতে পারেন। উল্লেখ্য, দাতাকে তাঁর নির্ধারিত ইয়াতিমের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সার্বিক অগ্রগতি ও অবস্থার প্রতিবেদন প্রতি ৬মাস পরপর লিখিতভাবে জানানো হয়। বর্তমানে ৪২ জন ইয়াতীম ও দুস্থ শিশুর সার্বিক দায়িত্ব পালন করছে ফাউন্ডেশন।
সাদাকাহ জারিয়াহ
আবাম ফাউন্ডেশনের মাধ্যমের যেকোন ধরনের সাদকায়ে জারিয়ার কাজে অংশ নিতে পারেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া।
১. সদাকাহ জারিয়াহ্ ২. এমন ইলম বা জ্ঞান যার দ্বারা অন্যের উপকার হয় ৩. পুণ্যবান সন্তান যে তার জন্যে দু’আ করতে থাকে’। (সহীহ্ মুসলিম, হাদিস নং ১৬৩১)
সাদকাহ জারিয়াহ মানে- যে দানের উপকারিতা শুধু এককালীন নয়; বরং চলমান ও দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে। যে দানের উপকারিতা একবারই অর্জিত হয় সেগুলোর সওয়াবও একবারই হয়। পক্ষান্তরে যে দানের উপকারিতা দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে সেগুলোর সওয়াব তথা বিনিময়ও মহান আল্লাহ দীর্ঘ দিন পর্যন্ত অব্যাহত রাখেন। এসব প্রকল্পের নির্দিষ্ট কোনো একটির দায়িত্ব এককভাবে নেওয়া যায়। আবার কেউ চাইলে সাদাকায়ে জারিয়া খাতে যেকোনো পরিমাণ দান করতে পারেন। সে অর্থ কতৃপক্ষ সাদাকায়ে জারিয়ার যে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজন অনুভব করবেন সে খাতে ব্যয় করবেন। আবাম ফাউন্ডেশনের সাদাকায়ে জারিয়া প্রকল্প সমূহের মধ্যে রয়েছে মসজিদ-মাদরাসা নির্মান, নলকূপ খনন, মসজিদ-মাদরাসার প্রয়োজনিয় সামগ্রী বিতরণ ইত্যাদি।
কুরবানী প্রজেক্ট
সবার জন্য কুরবানী আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মানবসেবামূলক নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।
সবার জন্য কুরবানী আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মানবসেবামূলক নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই থেকেই আবাম ফাউন্ডেশন দীনদার ধনীদের পক্ষ থেকে এতিম, অসহায়,দরিদ্র,বিধবা জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুরবানী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সাধারণত বেশি সংখ্যক কুরবানী হয়ে থাকে শহর-কেন্দ্রিক। অথচ অধিক সংখ্যক গরিব বাস করে গ্রামে। শহরের একটি বহুতল ভবনে যত সংখ্যক গরু কুরবানী হয়ে থাকে, এই পরিমাণ গরু কুরবানী কয়েকটি গ্রামেও হয় কি না— যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সবার জন্য কুরবানী প্রকল্পের মাধ্যমে আবাম ফাউন্ডেশন শহুরে ধনীদের কুরবানীর একটা অংশ প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধা-বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নিকট পৌঁছে দেয়। মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবয়নে ফাউন্ডেশনকে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীগণ সহয়তা করেন। উল্লেখ্য, একটি ছাগল পূর্ণাঙ্গভাবে একজনের পক্ষ থেকে এবং একটি গরুর এক সপ্তমাংশ পূর্ণাঙ্গভাবে একজনের পক্ষ থেকে কুরবানী করে গোশত গরিবদের মধ্যে বণ্টন করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন দরিদ্র এলাকায় মধ্যে ভোলা,বরিশাল,খাগড়াছড়ি, সাতকানিয়া, কুতুবদিয়া,রংপুর,দিনাজপুর বগুড়া বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০ টি গরু-ছাগল কুরবানী করে বিভিন্ন এতিমখানার মধ্যে এতিম, অসহায়,দরিদ্র,বিধবার মাঝে গোশত বিতরণ করা হয়েছে।
বই-পুস্তক বিতরণ
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মাধ্যমে এতিম অসহায় শিশুদের মাঝে নতুন বই-কিতাব, কুরআন মাজিদ বিতরন করতে পারেন।
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের স্কুল, মাদ্রাসা, এতিমখানার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই- কিতাব বিতরন করে থাকে।
সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে আপনিও চাইলে আমাদের মাধ্যমে বই পুস্তক বিতরন করতে পারেন।
ইফতার ও রমাদান খাদ্য বিতরণ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে তাকে সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দেওয়া হবে। তবে তাতে সিয়াম পালনকারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (সুনানে তিরমিজী, হাদিস নং ৮০৭; ইবনু মা-জাহ, হাদিস নং ১৭৪৬)
আবাম ফাউন্ডেশনের নিয়মিত কর্মসূচির মধ্যে একটি হলো এতিমখানায় পুরোমাসের সেহেরি- ইফতার ও দরিদ্র রোযাদারদের মাঝে রামাদ্বান ফুড বিতরণ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এতিমখানার বাচ্চারা আর অসহায় দরিদ্র সিয়াম পালনকারীরা যেন রামাদ্বান মাসে নির্বিঘ্নে সিয়াম পালন ও ইবাদত-বন্দেগী করতে পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে আবাম ফাউন্ডেশন।
শীতবস্ত্র বিতরণ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দাহ যতক্ষণ তার ভাইকে (যে কোনো মুসলিমকে) সাহায্য করে, আল্লাহ তা'আলাও ততক্ষণ তাকে সাহায্য করেন। (সুনানে তিরমিজী, হাদিস নং ১৪২৫)
শীতকালে এতিম ও অসহায় দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ায় আবাম ফাউন্ডেশন। কনকনে শীতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় শীতার্ত মানুষদের একটুখানি উষ্ণতা এনে দিতে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি’ আয়োজন করে থাকে। এছাড়াও আমরা কুরআনের হাফেজ ও এতিমদের মাঝে ভ্যাসলিন প্রদান করে থাকি, যাতে অতিরিক্ত ঠান্ডায় বাচ্চাদের ঠোঁট , হাত পা ফেটে না যায়।
বৃক্ষরোপন প্রজেক্ট
‘যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষ রোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু ভক্ষণ করে, তাহলে তা সে ব্যক্তির জন্য সাদাকাস্বরূপ।’ (সহীহ বুখারী-২৩২০, সহীহ মুসলিম-১৫৫৩)
যদি কিয়ামত এসে যায়, তখন কারো হাতে যদি একটি চারাগাছ থাকে, তাহলে কিয়ামত হওয়ার আগে সম্ভব হলে সে যেন চারাটি রোপন করে।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ-৪৭৯)
বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বেড়ে পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বৃক্ষহীনতা। দিন দিন কমে যাচ্ছে গাছের সংখ্যা। বর্তমান পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধে তথা মানবসভ্যতার সুরক্ষার জন্য মহানবী সা.–এর মহান সুন্নাত বৃক্ষরোপণ অতীব প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ দেশব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি বছর সারাদেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফলজ গাছগাছালি লাগানো হবে। বিভিন্ন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত, গাছ লাগানো সাদাকায়ে জারিয়া। যতদিন পর্যন্ত রোপনকৃত গাছটি জীবিত থাকবে ততদিন যত প্রাণী, পশুপাখি ও মানুষ সে গাছ থেকে ফুল, ফল ও ছায়া অর্থাৎ যেকোনো উপকার পাবে, তা রোপণকারীর আমলনামায় সদকায়ে জারিয়া হিসেবে লেখা হবে। রোপণকারী ব্যক্তি যদি মারাও যান, তাহলে তাঁর আমলনামায় এ সওয়াব পৌঁছাতে থাকবে। প্রতিটি গাছের মূল্য – ২০০ টাকা ( ঘেরা ও যাতায়াত সহ)।
স্বাবলম্বী প্রজেক্ট
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ যাকাতের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন দরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী করে থাকে।
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ যাকাতের অর্থে দরিদ্রদেরকে স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পের আওতায় উপকরণ-সহায়তা প্রদান করে। বেকার ও অদক্ষ নারী-পুরুষকে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য (আলাদাভাবে) কারিগরি প্রশিক্ষণ পূর্বক আর্থিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান করে আত্মনির্ভরশীল করা এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। হালাল রিযক উপার্জন করার গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘সালাত সমাপ্ত হওয়ার পর তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো; আর আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।’ (সূরা জুমু‘আহ: আয়াত-১০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য কখনো কেউ খায় না।’ (সহীহ বুখারী-২০৭২) দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হালাল রিযক অনুসন্ধানে সহায়তা করার মানসে তাদেরকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি একই সময়ে তাঁরা যাতে দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করতে পারেন এবং নীতিবান ও বিশ্বস্ত নাগরিক হন— এজন্য তাদেরকে প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলারদের মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক আকীদা ও বিধান শিক্ষাদান করা হয়। যেন তারা আর্থিকভাবেও স্বাবলম্বীও হতে পারেন, পাশাপাশি আল্লাহর খাঁটি বান্দা নীতি-নৈতিকতায় বলীয়ান হিসেবে জীবন যাপন করতে পারেন। আমরা মনে করি— শুধু অর্থ ও উপকরণ-সহায়তা প্রদান অনেকের ক্ষেত্রে স্বাবলম্বিতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়। এজন্য আমরা ফাউন্ডেশনের অধীনে আর্থিক ও উপকরণ-সহায়তাপ্রাপ্তদের নিয়মিত তত্ত্বাবধান করি, খোঁজ-খবর রাখি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি। এভাবে আমরা নৈতিকতা সম্পন্ন সুদক্ষ কর্মজীবী জনগোষ্ঠী তৈরিতে ভূমিকা রাখি।
এতিমখানায় একবেলা আহার
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার আল্লাহর মেহমানদের জন্য একবেলা আহারের আয়োজন করে থাকে।
এতিম ও কুরআনের হাফেজ আল্লাহর মেহমানদেরকে একবেলা মেহমানদারী করতে পারলেই শান্তি লাগে। তাও যদি হয় হিজরী প্রতি মাসের প্রথম দিনে!!! তাহলে তো আরো বেশি বরকতময়। আলহামদুলিল্লাহ্!! আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হিজরী প্রতি মাসের ১ তারিখে ২১০০ জন আল্লাহর মেহমানদের জন্য একবেলা আহারের আয়োজন করে থাকে। মাত্র ১১০ টাকা দিয়ে আপনিও চাইলে একজন আল্লাহর মেহমানদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারেন।
এতিমখানায় মাসিক বাজার প্রজেক্ট
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ বিভিন্ন এতিমখানায় পুরো একমাসের বাজার করে দিয়ে থাকে।
দেশের বিভিন্ন এতিমখানায় খাদ্য সংকট চলে। আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ দরখাস্ত যাচাই বাছাই করে তাদের জন্য এক মাসের খাবারের বাজার করে দিয়ে থাকে। এই প্রজেক্টে সাদাকা করতে আপনি একবেলার বদলে সারামাস ধরে এতিম ও কুরআনের হাফেজদের খাওয়ানোর সাওয়াব পেতে পারেন।
কুরআন বিতরণ প্রজেক্ট
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মাধ্যমে এতিম অসহায় শিশুদের মাঝে নতুন বই-কিতাব বিতরন করতে পারেন।
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের স্কুল, মাদ্রাসা, এতিমখানার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন মাজিদ ও রেহাল বিতরন করে থাকে।
সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে আপনিও চাইলে আমাদের মাধ্যমে কুরআন মাজিদ ও রেহাল বিতরন করতে পারেন।
এতিমদের শুকনো নাস্তা প্রজেক্ট
প্রতিমাসে এতিম শিশুদের মাঝে শুকনো নাস্তা বিতরন করে থাকে।
তিনবেলা খাবারের পাশাপাশি শুধুমাত্র এতিমদের জন্য শুকনো নাস্তাও দিয়ে থাকে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। অনেক সময় তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে কুরআন হেফজ করতে বসার আগে বাচ্চাদের অনেক ক্ষুধা লাগে। এতিম বাচ্চাদের কোন বাবা-মা না থাকায় তাদের অনেকেই কিছু খেতে পারেনা। তাই আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এতিম বাচ্চাদেরকে শুকনো নাস্তা কিনে দিয়ে থাকে।
ঈদ উপহার প্রজেক্ট
প্রতি বছর ঈদের সময় এতিম ও কুরআনের হাফেজদের মাঝে নতুন জামা, নতুন জুতো, নতুন টুপি ও ঈদ সেলামী উপহার দেয়।
আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে প্রতি বছর ঈদের সময় এতিম ও কুরআনের হাফেজদের মাঝে নতুন জামা, নতুন জুতো, নতুন টুপি ও ঈদ সেলামী উপহার দেয়। বাচ্চারা সারা বছর অপেক্ষায় থাকে এই উপহারের জন্য।
সংবাদ
এতিমখানায় মাসিক বাজার প্রজেক্ট
মাসিক বাজার কার্যক্রম আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায়,এই মাসে দুটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় “মাসিক বাজার সহায়তা কর্মসূচি” সম্পন্ন হয়েছে। ফেনীরকুল নূরুল কোরআন মাদ্রাসা
এতিমখানার জানালা ও ভেন্টিলেটরের জন্য থাইগ্লাস লাগানোর বিশেষ আবেদন।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার প্রত্যন্ত এলাকার কাউখালী উপজেলার বেতছড়ি ছিদ্দিক-ই-আকবর মাদ্রাসা, নূরানী, হেফজখানা ও এতিমখানায় জানালা ও ভেন্টিলেটরে কোন থাইগ্লাস না থাকায় বৃষ্টির পানি ঢুকে বাচ্চাদের
আসুন সবাই শেরপুর জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়!
আপনি কি জানেন?শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্ত শেরপুর , ময়মনসিংহ!!!! ইতিমধ্যে ৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘর বাড়ি হারিয়েছে লাখো মানুষ।আসুন সিলেট, ফেনী, লক্ষীপুর
চিকিৎসা সেবা নিয়ে সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধস কবলিত মহেশখালীর মানুষের পাশে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
“আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’র উদ্যোগে এবং electiva foundation এর সহযোগীতায় সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধস কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে গত ২৭ শে সেপ্টেম্বর ২য় বারের
কুতুবদিয়ায় অটোরিকশা পেল মা-বাবা হারা আতিক
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা উপহার পেল মা-বাবা হারা আতিকুর রহমান। রবিবার( ১০ মার্চ) বিকালে ধুরুং হাই স্কুল এন্ড কলেজ স্টেডিয়ামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আবাম ফাউন্ডেশন